August 9, 2026, 7:46 am
নিজস্ব প্রতিবেদক
৯ এপ্রিল প্রকাশিত দৈনিক পূর্বদেশ, দৈনিক ইনানী, দৈনিক বাকখালী পত্রিকায় ও কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে “চকরিয়া মাতামুহুরী মৎস্যচাষ উন্নয়ন সমবায় সমিতির ৩৩ একর মৎস্য প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ, হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ” শিরোনামে যে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে তা আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রতিবাদ লিপিতে উল্লেখ করা হয়, গতকাল ৮ এপ্রিল নুরুল আলম ও ওসমান গণির নেতৃত্বে সংবাদ সম্মেলন করে যেসকল মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে তার সঠিক তথ্য নিম্নরূপ-
♦ অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি সম্পূর্ণ মনগড়া, মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
♦যেহেতু সমিতির সকল সদস্যই আত্মীয়, সেহেতু আত্মীয়করণের প্রশ্নই আসে না।
♦অবৈধভাবে কোনো সদস্য অন্তর্ভূক্তি
করা হয়নি। সমবায় আইন ও বিধি মোতাবেক তৎকালীন সম্পাদক নুরুল আলমের প্রস্তাবে ১৯৯০ সনে অন্তর্ভূক্তি হয়।
♦মৎস্য ঘেরে তারা নিজেরাই জবর দখল, হামলা, লুটপাট করেছে এবং ঘেরের কর্মচারীকে গুরুতর আঘাত করেছে যাহা আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
♦ নুরুল আলম ও ওসমান গণি নিজেদেরকে সভাপতি ও সম্পাদক দাবী করে ২৯/০৯/২১ইং; ০৩/১০/২১ইং ও ১১/১০/২১ ইং তারিখ বেআইনীভাবে তিনটি নোটিশ ঘের ব্যবস্থাপককে প্রদান করেন।
♦ বর্তমানে সমিতির একটি নির্বাচিত কমিটি বলবৎ থাকা অবস্থায় যার মেয়াদ আরো একবছর আছে, তৎমধ্যে তারা গোপনে সমবায় আইন ও বিধি না মেনে তথাকথিত এডহক কমিটি, নির্বাচন কমিটি ও ব্যবস্থাপনা কমিটি করেন। তা আমরা অবগত হওয়ার পর সমবায় আইন ও বিধি মোতাবেক উক্ত তথাকথিত কমিটির বিরুদ্ধে মাননীয় জেলা সমবায় অফিসার বরাবর ডিসপিউট মোকাদ্দমা দাখিল করি, যাহা এখনো নিষ্পত্তি হয়নি।
♦তাহারা ১৪নং সদস্য মরহুম মো: নুরুল আবচার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে পরিচালক ছিলেন বলে উল্লেখ করেন তা সত্য নহে। উনার নিজের হাতে গড়া সমিতি তাই শুধু দেখভাল করতেন। ১৯৮৫ সাল থেকে উনার মৃত্যুর আগ (২০২১ সাল) পর্যন্ত কোনো আপত্তি ছিল না। উনি মৃত্যুবরণ করার পর পরই কেনো এতো মিথ্যা, বানোয়াট, মনগড়া আপত্তি? নিশ্চয়ই লোভের বশবর্তী হয়ে তারা এইসব করছে।
♦ উনারা কোনোভাবেই কোনো সদস্যকে সমবায় আইন ও বিধি বহির্ভূতভাবে সদস্যপদ বাতিল করতে পারেন না। কারণ তাদের তথাকথিত কমিটির কোনো বৈধতা নেই।
♦ আইনজীবীর মাধ্যমে উনারা যে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছেন উক্ত লিগ্যাল নোটিশের জবাব আইনজীবীর মাধ্যমে উনাদের দেয়া হয়েছে।
♦ মৎস্য ঘেরে জবর-দখল করবে হুমকী পেয়ে আমরা ডিসি কোর্টে এম.আর. মামলা দায়ের করি, শুনানিঅন্তে বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ১৪৪ ধারার আদেশ প্রদান করেন এবং বিগত ০৬/০৪/২২ ইং তারিখ রাত আনুমানিক ৮ ঘটিকার সময় তাহারাই মৎস্য ঘেরে জবর-দখল, হামলা ও লুটপাট চালায়। উক্ত ঘটনার বিরুদ্ধে আমাদের পক্ষ থেকে চকরিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়, তাই তারা উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে সাজানো মিথ্যা, বানোয়াট সংবাদ প্রদান করছেন।
♦ তাহারা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বলেও মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছেন। ফোরকানুল ইসলাম, নাজমুস সাকিব, নুরুল হুদা বিদেশে এবং আনোয়ার কামাল, আব্দু শুকুর চট্টগ্রামে অবস্থানরত। মাজেদা বেগম মানসিক ভারসাম্যহীন রোগী, এনামুল হকও উক্ত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন না।
উক্ত মিথ্যা, বানোয়াট, ফেরাবী তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলনের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং এর জন্য প্রকাশ্যে সংবাদ সম্মেলনে ক্ষমা না চাইলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ফৌজদারী ও দেওয়ানী সহ ডিজিটাল আইনে মামলা করতে বাধ্য হবো।
প্রতিবাদকারী_
মোঃ নুরুল মোক্তাদির (সভাপতি)
ও
মোঃ নুরুল আজিম (সম্পাদক)
মাতামুহুরী মৎস্য চাষ উন্নয়ন সমবায় সমিতি লিঃ
রেজিঃ নং-১১০৬/১৯৮৫।
খোন্দকার পাড়া, চিরিংগা, চকরিয়া, কক্সবাজার।